logo

বুধবার, ১৯ জুন ২০১৯ | ৫ আষাঢ়, ১৪২৬

header-ad

চেহারায় থাকবে চিরযৌবন, নামমাত্র খরচে আজই শুরু করুন

লাইফস্টাইল ডেস্ক | আপডেট: ০৩ জানুয়ারি ২০১৯

ক্যালেন্ডারের নিয়মে বয়স তো বাড়বেই। হাজার চেষ্টা করেও তাকে আটকে রাখা যাবে না। কিন্তু চেহারায় বয়সের ছাপকে তুড়ি মেরে উড়িয়ে দিতে পারেন আপনি। তাও আবার একেবারেই নামমাত্র খরচে! বুড়িয়ে যাওয়া ত্বক ঠেকাতে আজ থেকেই শুরু করুন যত্ন।

চুলে পাক থেকে কুঁচকে যাওয়া ত্বক রুখতে প্রায়ই স্যাঁলোতে বেশ কিছুটা সময় কাটান অনেকেই। তবে সে সবে পকেটে চাপও পড়ে যথেষ্ট। আবার এক শ্রেণির কাছে ত্বক পরিচর্যার জন্য আলাদা করে কোনও সময় বা অর্থ থাকে না। কিন্তু ত্বকের কিছু কিছু যত্ন কমবেশি সবারই নেয়া উচিত।

তা হলে কি স্যাঁলো ছাড়া গতি নেই? তা কেন? বরং বাড়িতেই বানিয়ে নিন অ্যান্টি এজিং ফেসিয়াল মাস্ক। নিয়মিত ব্যবহারে জেল্লা তো বাড়বেই, সঙ্গে চেহারায় থাকবে না বয়সের ছাপ। বিভিন্ন ত্বকের জন্য বিভিন্ন মাস্ক বিশেষ কার্যকর। কোন ত্বকের জন্য কেমন মাস্ক কাজে আসবে দেখে নিন।

শুষ্ক ত্বকের জন্য-

উপকরণ : ডিমের কুসুম, দই, মধু ও আমন্ড অয়েল।

একটি বড় পাত্রে একটি ডিমের কুসুম, এক চামচ দই, এক টেব‌্ল চামচ মধু ও এক টেব‌্ল চামচ আমন্ড অয়েল একসঙ্গে নিয়ে ভালো করে নাড়তে থাকুন। মিশ্রণ গাঢ় হয়ে এলে একেমুখে লাগিয়ে অন্তত দশ-পনেরো মিনিট অপেক্ষা করুন। শুকিয়ে গেলে ঠাণ্ডা পানিতে ভালো করে মুখ ধুয়ে নিন।

মধু প্রাকৃতিক ময়েশ্চারাইজার। এটি আপনার ত্বককেনরম করবে। আমন্ড ও ডিমের কুসুম ত্বককে টানটান রাখতে সাহায্য করে ও মৃত কোষ ঝরিয়ে ত্বককে পরিশোধিত করে।

তৈলাক্ত ত্বকের জন্য-

উপকরণ : গাজর, মুসুর ডাল বাটা এবং মধু।

গাজর ভালো করে সেদ্ধ করে, চটকে তার পেস্ট বানিয়ে নিন। এবার পেস্ট করা গাজরের সঙ্গে যোগ করুন এক চামচ মুসুর ডাল বাটা ও এক টেব্‌ল চামচ মধু। এ মিশ্রণকিছু ক্ষণ ফ্রিজে রেখে দিন। এরপর মুখ ধুয়ে এ মিশ্রণ আপনার ত্বকে লাগিয়ে মিনিট দশ রেখে ঠান্ডা পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন।

গাজরে থাকা ভিটামিন এ এবং সি, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ত্বকের কুঞ্চন রোধ করে। মধু ত্বককে ময়শ্চারাইজ করার পাশাপাশি ত্বকের জেল্লা বাড়ায় ও মুসুর ডাল বাটা ত্বকের অতিরিক্ত তেল শোষণ করে ত্বকের দাগছোপ দূর করে।

সাধারণ ত্বকের জন্য-

উপকরণ : মধু, অ্যাভোকোডা ও ডিমের কুসুম।

দু ’চামচ মধু, এক চামচ অ্যাভোকাডো ও একটি ডিমের কুসুম একসঙ্গে মিশিয়ে নিন। এবার ত্বক পরিষ্কার করে মুখে এ মিশ্রণটি মাখিয়ে রাখুন। শুকিয়ে গেলে ঠান্ডা পানিতে ধুয়ে নিন মুখ।

অ্যাভোকাডো ও ডিমের কুসুম ত্বকের মৃতকোষ ঝরিয়ে ত্বককে টানটান রাখবে। মধু ত্বকের আর্দ্রতা বাড়িয়ে জেল্লা ধরে রাখবে।

অ্যাভোকাডো-

অ্যাভোকাডো মাখনের মত কোমল মসৃণ ও সুগন্ধি ফল যা উষ্ণ আবহাওয়ায় জন্মায়। অ্যাভোকাডো কালো বা সবুজ রঙের হয়। একে এলিগেটর পিয়ার বা বাটার ফ্রুটও বলা হয়ে থাকে। বহুমুখী গুণের অধিকারী অ্যাভোকাডো একমাত্র ফল যাতে প্রচুর মনোস্যাচুরেটেড ফ্যাট থাকে। অ্যাভোকাডোতে ২০ রকমের ভিটামিন ও মিনারেল থাকে। এছাড়াও এতে গুরুত্বপূর্ণ অ্যান্টি অক্সিডেন্ট লাইকোপেন এবং বিটা ক্যারোটিন থাকে।
ফেমাসনিউজ২৪/এফএম/এমএম