logo

রবিবার, ১৭ ডিসেম্বর ২০১৭ | ৩ পৌষ, ১৪২৪

header-ad

১৯ নভেম্বর বিশ্ব টয়লেট দিবস

নিজস্ব প্রতিবেদক | আপডেট: ১৮ নভেম্বর ২০১৪

সারা বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে আগামীকাল বুধবার ১৯ নভেম্বর বাংলাদেশেও উদযাপন করা হবে ‘বিশ্ব টয়লেট দিবস’। ২০০১ সাল থেকে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে  ‘বিশ্ব টয়লেট দিবস’ পালিত হয়ে আসে। কিন্তু এটি চূড়ান্তভাবে ঘোষণা হয় ২০১৩ সাল থেকে। খোদ জাতিসংঘই আনুষ্ঠানিকভাবে দিবসটি পালনের ঘোষণা দেয়। এবারের প্রতিপাদ্য, ‘সমতা ও মর্যাদা’।

জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদফতরের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী ও স্যানিটেশন সেক্রেটারিয়েটের সদস্য সচিব মো. ওয়ালী উল্লাহ্‌ এ প্রসঙ্গে বলেন, দেশে বর্তমানে ৯৭ শতাংশ লোক যেকোনো ধরনের ল্যাট্রিন ব্যবহার করছে। বাকি ৩ শতাংশ পরিবার খোলা জায়গায় মলমূত্র ত্যাগ করছে। স্যানিটেশন ব্যবহার শতভাগে উন্নীত করা কঠিন হবে। তবে পিছিয়ে পড়া পার্বত্য, চর, হাওর, উপকূল, নদীভাঙা ও চা-বাগান এলাকাগুলোতে স্যানিটেশন ব্যবহারে আমাদেরকে আরো কাজ করতে হবে। পাশাপাশি আমাদেরকে জোর দিতে হবে টেকসই প্রযুক্তির স্যানিটেশন ব্যবস্থা গড়ার দিকে।

অলক কুমার মজুমদার। বাংলাদেশ ওয়াশ অ্যালায়েন্সের কান্ট্রি কো-অর্ডিনেটর। তিনি বলেন, বিশ্বে এখনো ২৫০ কোটি মানুষ উন্নত স্যানিটেশন থেকে বঞ্চিত। বাংলাদেশে ৫৭ ভাগ মানুষ উন্নত স্যানিটেশন ব্যবহার করছে। স্যানিটেশন ব্যবস্থায় এমডিজি লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের জন্য আমরা সরকারের ডিপিএইচই, পলিসি সাপোর্ট ইউনিট ও এনজিওগুলো যৌথভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

'স্থানীয় চাহিদাভিত্তিক পানি, স্যানিটেশন ও হাইজিন বাজেট প্রণয়নে সরকারকে উদ্যোগ নিতে হবে। এ খাতে বাজেট বরাদ্দের অপ্রতুলতা রয়েছে। পাশাপাশি বরাদ্দকৃত বাজেট সঠিক সময়ে মাঠপর্যায়ে পৌঁছানো, বাস্তবায়ন ও জনগণের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে।' এমনটা বললেন বেসরকারি সংস্থা ডরপ এর গবেষক মোহাম্মদ যোবায়ের হাসান।

‘বিশ্ব টয়লেট দিবস’ উপলক্ষে সরকারি-বেসরকারি যৌথ উদ্যোগে রাজধানীর কাকরাইলস্থ জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদফতর ভবনের অডিটোরিয়ামে এ দিন ‘উন্নত স্যানিটেশন : বর্জ্য ব্যবস্থাপনার চ্যালেঞ্জ’ শীর্ষক স্যামিনারের আয়োজন করা হয়েছে। সেমিনারে বুয়েটের প্রফেসর ড. মো. মজিবুর রহমান ও বেসরকারি সংস্থা ডরপ এর গবেষক মোহাম্মদ যোবায়ের হাসান মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করবেন। পলিসি সাপোর্ট ইউনিটের প্রকল্প পরিচালক কাজী আব্দুল নূরের সভাপতিত্বে সেমিনারে স্থানীয় সরকার বিভাগের সিনিয়র সচিব মনজুর হোসেন প্রধান অতিথি থাকার কথা রয়েছে।

প্রসঙ্গত, পরবর্তী বছরের জন্যে সার্কভুক্ত দেশসমূহের অংশগ্রহণে বাংলাদেশে ৬ষ্ঠ দক্ষিণ এশীয় স্যানিটেশন সম্মেলন (স্যাকোসেন-৬) আয়োজনের প্রস্ততিও নিচ্ছে সরকার। এটির আয়োজন হবে আগামী বছরের নভেম্বর মাসে।