logo

সোমবার, ১৯ নভেম্বর ২০১৮ | ৪ অগ্রহায়ণ, ১৪২৫

header-ad

সরকারি চাকরিতে পদ খালি ৩ লাখ

ফেমাসনিউজ ডেস্ক | আপডেট: ০৯ জুলাই ২০১৮

বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের অধীনে ২ লাখ ৯০ হাজার ৩৪৮টি পদ শূন্য রয়েছে রয়েছে বলে জানিয়েছেন জনপ্রশাসন মন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম।

তিনি জানান, এর মধ্যে সর্বাধিক শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে। এ মন্ত্রণালয়ে ৫৮ হাজার ৯৮৯টি পদ শূন্য রয়েছে। তার মধ্যে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ে ৪১ হাজার ৮৬৯টি এবং মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগে ১২ হাজার ৮৩৭টি।

জনপ্রশাসন মন্ত্রী জানান, কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগে ৪ হাজার ২৮৩টি পদ শূন্য রয়েছে।

স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে সোমবার জাতীয় সংসদ অধিবেশনে আওয়ামী লীগের সাংসদ আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিমের প্রশ্নের লিখিত জবাবে এ তথ্য জানান তিনি।

মন্ত্রী জানান, সরকারি অফিসসমূহে শূন্য পদে লোক নিয়োগ একটি চলমান প্রক্রিয়া। বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ এবং এর অধীনে সংস্থার চাহিদার প্রেক্ষাপটে সরকারি কর্ম কমিশনের মাধ্যমে ৯ম ও ১০ গ্রেডের (১ম ও ২য় শ্রেণি) শূন্য পদে জনবল নিয়োগ করা হয়ে থাকে।

জনপ্রশাসন মন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম জানান, ১৩-২০ গ্রেডের (৩য় ও ৪র্থ শ্রেণি) পদে স্ব স্ব মন্ত্রণালয়/বিভাগ/দপ্তর/সংস্থার নিয়োগবিধি অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়/বিভাগ/দপ্তর/সংস্থা জনবল নিয়োগ করে থাকে। শূন্য পদ পূরণের জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে বলে জানান তিনি।

সংসদে দেয়া তথ্যানুযায়ী, স্বাস্থ্যসেবা বিভাগে ৩৪ হাজার ৯২৩টি, জননিরাপত্তা বিভাগে ২৮ হাজার ৩৫০টি, রেলপথ মন্ত্রণালয়ে ১৫ হাজার ৫২৫টি, কৃষি মন্ত্রণালয়ে ১৩ হাজার ১৫৫টি, কারিগরি মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগে ৪ হাজার ২৮৩টি পদ খালি রয়েছে।

সবগুলো মন্ত্রণালয়ে কম বেশি পদ খালি রয়েছে। শূন্য পদ দ্রুত পূরণের লক্ষ্যে এরই মধ্যে সব মন্ত্রণালয়/বিভাগকে অনুরোধ জানিয়ে পত্র প্রেরণ করা হয়েছে বলে জানান মন্ত্রী।

সংরক্ষিত আসনের সেলিনা বেগমের প্রশ্নের জবাবে সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম জানান, পাবলিক সার্ভিস কমিশনের (পিএসসি) তত্ত্ব্বধানে নিয়োগ পরীক্ষার মাধ্যমে সাংবিধানিক অনুশাসন অনুযায়ী প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির গেজেটেড পদে প্রার্থী মনোনয়ন করা হয়।

তিনি জানান, পরীক্ষায় উত্তীর্ণদের মেধা ক্রমানুসারে পাঁচ ধরনের কোটা পদ্ধতি অনুসরণ করে চাকরিতে যোগদান করানো হয়। এসব কোটাসমূহের মধ্যে মেধাভিত্তিক (জেলা কোটা বর্হিভূত) ৪৫ শতাংশ, মুক্তিযোদ্ধা ৩০ শতাংশ, মহিলাদের জন্য ১০ শতাংশ, ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর ৫ শতাংশ এবং জেলার সাধারণ প্রার্থীদের জন্য ১০ শতাংশসহ মোট শতভাগ।

তবে প্রাধিকার কোটার অপূরণকৃত ১ শতাংশ কোটা প্রতিবন্ধী প্রার্থীদের দ্বারা পূরণ করা হয়ে থাকে।
ফেমাসনিউজ২৪/এফএম/এমএম