logo

রবিবার, ১৬ জুন ২০১৯ | ২ আষাঢ়, ১৪২৬

header-ad

রক্ত পান করা ভুয়া ডাক্তার আটক!

বিবিধ ডেস্ক | আপডেট: ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৯

স্কুলে পড়ার সময় সহপাঠীকে হত্যা করে তার রক্ত ​​পান করার অভিযোগে সেই বন্ধুকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এক দশক পর সেই ভুয়া ডাক্তারকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, ৩৬ বছর বয়সী এ ব্যক্তি চেলইয়াবিনক্সের ইউরালস শহরের একটি হাসপাতালে চিকিৎসক হিসেবে কাজ করেছিলেন এবং গত বছরের নভেম্বরে চাকরি পেতে ভুয়া ডিগ্রি ব্যবহার করার অভিযোগে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, ২০০০ সালে ‘বিশেষ গুরুতর অপরাধ' করার দোষে বরিস কোন্ড্রাশিন নামের এ ব্যক্তিকে বাধ্যতামূলক মানসিক চিকিৎসা করানোর নির্দেশ দেয়া হয়। এর পরেও তিনি ডাক্তার হিসেবে কাজ করতে সক্ষম হন কীভাবে তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

রাশিয়ান সংবাদ সংস্থা জানিয়েছে, ১৯৯৮ সালে কিশোর বয়সে তিনি তার ১৬ বছর বয়সী স্কুলের সহপাঠীকে কেটে ফেলেন। একটি ধর্মীয় প্রথা মেনে নাকি তার রক্ত পান করেছিলেন কোন্ড্রাশিন।

আঞ্চলিক একটি অনলাইন নিউজ পোর্টাল জানায়, কোন্ড্রাশিন নাকি নিজেকে ভ্যাম্পায়ার মনে করেন!

কোন্ড্রাশিন কী করছেন, কী ভাবছেন এসব বোঝার ক্ষমতা হারিয়ে ফেলেছিলেন একেবারেই। রাশিয়ার সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, প্রায় এক দশক পর তাকে হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দেয়া হয়।

শহরের স্বাস্থ্য বিভাগের প্রধান নাতালিয়া গার্লোভা জানান, মেডিক্যাল প্রতিরোধ বিভাগে চেলইয়াবিনক্স শহরের ১১ নম্বর হাসপাতালের প্রাথমিক চিকিৎসক হিসেবে কোন্ড্রাশিনকে নিয়োগ করা হয়। এ হাসপাতালে তার কাজ ছিল মানুষকে মদ খাওয়া বা ধূমপান করার সমস্যা নিয়ে বোঝানো এবং ব্যায়ামের সুবিধা বিষয়ে উৎসাহিত করা।

ইন্টারফ্যাকস নিউজ এজেন্সি জানায়, কোন্ড্রাশিনকে জানুয়ারিতেই আটক করা হয়েছিল। গর্লোভা জানান, কোন্ড্রাশিনের ডিগ্রি সার্টিফিকেট পরীক্ষা করার পরই বরখাস্ত করা হয়।

কোন্ড্রাশিনের বোন পেশায় চিকিৎসক। তিনি জানান, তার মা জানতেন না যে- তিনি চাকরি পেয়েছেন। কোন্ড্রাশিন কেবল উচ্চ বিদ্যালয় পাস করেছেন। এখনও তাকে চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে রাখা উচিত ছিল।
ফেমাসনিউজ২৪/এফএম/এমএম