logo

রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২০ | ১২ আশ্বিন, ১৪২৭

header-ad
কল্পকথা

কবি পূজারি

সৈয়দ এরশাদুল হক মিলন | আপডেট: ১৪ মে ২০১৪

‘কী হয়েছে কবি? এতো অস্থির কেন?’ –বলেই দু’চোখ মেলে তাকায়। দৃষ্টিতে ঝরে পড়ে শাসন আর স্নিগ্ধতা। কবি মৌন হয়ে যায়। থেমে যায় কবির অস্থির দু’হাত। তার ভাঁজে ভাঁজে আর কবিতা লেখা হয়ে ওঠে না। নারীর দৃষ্টিতেই যেন কবিতা ঝরে পড়ে।

একটি কবিতা লেখার তাড়নায় কবি ছুটেছে দিগন্ত থেকে দিগন্তে। তেপান্তর পেরিয়ে দূর সাগরকুলে। কবিতা লেখার লোভে শকুন হয়েছে। সমুদ্রজায়ার ভাঁজে ভাঁজে বসিয়েছে ধারালো নখ। তবুও কবিতা লেখা হয়নি। ব্যর্থ হয়ে কবি আবার মানুষ হয়ে ওঠে।

প্রবল তাড়নায় কবি ছুটে গিয়েছিল সন্ধ্যা নদীর বাঁকে। সূর্যের লালিমা এনে সাজিয়েছিল আর্যকন্যার সিঁথি। কবি তার প্রবল প্রেম মেলে ধরেছিল। সেই প্রবল প্রেম সইতে পারেনি আর্যকন্যা। ছুটে গিয়েছিল দূর আযাবর্তে। তারপর থেকে নিজেকে লুকিয়ে রেখেছিল কবি।

অনার্য দৃষ্টি মেলে কবি তাকায় নারীর দিকে। নারীর কামরাঙা আঁখি, আঁখি পল্লব। প্রবল প্রেম নিয়ে কবি অস্থির হয়ে ওঠে। এমন সময় নারীকণ্ঠে বেজে ওঠে অমোঘ বাণী। নতজানু কবি উচ্চারণ করে ওঠে, ‘ভালোবেসে শাসন করো, নারী। তোমাতে কাব্য করি আমি পূজারি’।