logo

মঙ্গলবার, ১৩ নভেম্বর ২০১৮ | ২৯ কার্তিক, ১৪২৫

header-ad

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে ৮৮ লাখ

কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি | আপডেট: ০৭ জুলাই ২০১৮

তিন মাস সাতদিন পর খোলা হয়েছে পাগলা মসজিদের দানবাক্স। তাতে জমা পড়েছে ৮৮ লাখ ২৯ হাজার ১৭ টাকা। কিশোরগঞ্জের শহরের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স খোলা হয় সাধারণত তিন মাস পর পর।

৭ জুলাই শনিবার সকালে জেলা প্রশাসনের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে এ দানবাক্স খোলা হয়।

দানবাক্স খোলার পর টাকাগুলো প্রথমে বস্তায় ভরা হয়। এরপর শুরু হয় দিনব্যাপী টাকা গণনার কাজ। বিকেলে গণনা শেষে দানের এ টাকার হিসাব পাওয়া যায়। এছাড়াও দানবাক্স থেকে সোনা, রূপা ও বৈদেশিক মুদ্রাও পাওয়া যায়।

টাকা গণনার কাজ তদারকি করেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) উপ-সচিব তরফদার মো. আক্তার জামীল, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আলমগীর হুছাইন, সিনিয়র নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আবু তাহের মোহাম্মদ সাঈদসহ প্রশাসনের কর্মকর্তা, মসজিদ পরিচালনা কমিটির সদস্য ও সার্বক্ষণিক দায়িত্বরত কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আবু তাহের সাঈদ গণমাধ্যমকে জানান, তিন মাস পর পর মসজিদের দানবাক্সগুলো খোলা হয়। এবার তিন মাস সাতদিন পর খোলা হয়েছে। পরে টাকাগুলো গুনে নগদ ৮৮ লাখ ২৯ হাজার ১৭ টাকা পাওয়া যায়।

তিনি জানান, এ মসজিদের দানবাক্স যখন খোলা হয়, তখন সাধারণত এক কোটি টাকার কাছাকাছি পাওয়া যায়। টাকাগুলো রূপালী ব্যাংকে জমা রাখা হয়েছে। স্বর্ণালঙ্কারগুলো আগের পাওয়া স্বর্ণালঙ্কারের সঙ্গে যোগ করে সিন্দুকে রেখে দেয়া হয়েছে। দানে পাওয়া গবাদিপশু ছাগল, হাঁস-মুরগি প্রতি সপ্তাহেই নির্ধারিত দিনে নিলামে বিক্রি করা হয়।

সর্বশেষ ৩১ মার্চ মসজিদের দানবাক্স খুলে গণনা করে ৮৪ লাখ ৯২ হাজার টাকা পাওয়া যায় বলেও জানান তিনি।

কিশোরগঞ্জ জেলা শহরের পশ্চিম প্রান্তে নরসুন্দা নদীর তীরে আনুমানিক চার একর জায়গায় ‘পাগলা মসজিদ ইসলামী কমপ্লেক্স’ অবস্থিত। প্রায় আড়াইশ' বছর আগে মসজিদটি প্রতিষ্ঠিত হয়। মসজিদের প্রতিষ্ঠা নিয়ে অনেক কাহিনী প্রচলিত আছে, যা ভক্ত ও মুসল্লিদের আকর্ষণ করে।
ফেমাসনিউজ২৪/ প্রতিনিধি/এফএম/এমএম