logo

শনিবার, ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ | ৪ ফাল্গুন, ১৪২৫

header-ad

যেভাবে হজ ও ওমরা পালন করবে নারী

ধর্ম ডেস্ক | আপডেট: ০৫ আগস্ট ২০১৮

শারীরিক ও আর্থিক ইবাদত হলেও হজ আল্লাহর নৈকট্য অর্জনের অন্যতম মাধ্যম। হজ সম্পাদনে নারী-পুরুষ উভয়েই পর্দার প্রতি যথাযথ গুরুত্বারোপ করেছেন।

হজ ও ওমরা পালনে নারীদের সতর্কতা অবলম্বন করা প্রয়োজন। নারীদের চেহারা ঢেকে হজ ও ওমরার কাজ সম্পন্ন করা জরুরি। কোনোভাবেই হজ ও ওমরা পালনকারী নারী সৌন্দর্য প্রকাশসহ সুগন্ধি লাগিয়ে কাবা শরিফ তাওয়াফ ও সাঈ করতে যাবে না। তাওয়াফ ও সাঈসহ হজের যাবতীয় রোকন পালনে পর্দা এবং সৌন্দর্য প্রকাশ করা থেকে বিরত থাকতে হবে।

আল্লাহ তাআলা সুস্পষ্ট ভাষায় ঘোষণা করেন-‘বিশ্বাসী নারীদের বলুন, তারা যেন তাদের দৃষ্টিকে সংযত করে ও তাদের লজ্জাস্থান রক্ষা করে। তারা সাধরণত যা প্রকাশ করে থাকে তা ছাড়া তাদের সৌন্দর্য যেন প্রদর্শন না করে, তাদের বুকের ওপর যেন মাথার কাপড় দ্বারা আবৃত রাখে। তারা যেন তাদের স্বামী, পিতা, শ্বশুর, ছেলে, স্বামীর ছেলে, ভাই, ভাইয়ের ছেলে, বোনের ছেলে, তাদের নারী, নিজ অধিকারভুক্ত দাস, যৌনকামনা রহিত অনুচর পুরুষ অথবা নারীদের গোপন অঙ্গ সম্পর্কে অজ্ঞ বালক ছাড়া কারও কাছে তাদের সৌন্দর্য প্রকাশ না করে। আর তারা নিজেদের যে সৌন্দর্য লুকিয়ে রেখেছে তা লোকদের সামনে প্রকাশ করে দেয়ার উদ্দেশ্যে সজোরে চলাফেরা না করে। হে মুমিনগণ! তোমরা আল্লাহর কাছে তাওবা করো; আশা করা যায় তোমরা সফলকাম হবে।’ -(সুরা নুর আয়াত ৩১)।

হজ ও ওমরা পালনের সময় নারীদের আরও যা করণীয়, তা হলো-

কাবা শরিফ তাওয়াফের সময় ভিড় উপক্ষো করে নিরাপদ স্থান দিয়ে চক্কর দেয়ার মাধ্যমে পর্দার সঙ্গে তাওয়াফ সম্পন্ন করা। হাজরে আসওয়াদ ও রোকনে ইয়ামেনিতে সব সময় প্রচণ্ড ভিড় থাকে। এ ভিড়ের মধ্যে নারীরা যদি হাজরে আসওয়াদ চুম্বন ও রোকনে ইয়ামেনি স্পর্শ করতে যায় তবে নিশ্চিত পর্দার লঙ্ঘন হবে। তাই এ ভিড়ের মধ্যে নারীদের হাজরে আসওয়াদ ও রোকনে ইয়ামেনিতে চুম্বন ও স্পর্শ করতে না যেয়ে দূর থেকে ইশারার মাধ্যমে তাওয়াফ সম্পন্ন করাই উত্তম।

তাওয়াফের পর মাকামে ইবরাহিম বরাবর মসজিদে হারামে নারীদের জন্য নির্ধারিত স্থানে নামাজ আদায় করা। সাফা ও মারওয়ায় সাঈ করার সময়ও তাওয়াফের মতো পর্দার সঙ্গে ৭ চক্করের মাধ্যমে সাঈ সম্পন্ন করা। তাওয়াফ ও সাঈতে নারীরা তাদের আপনজন তথা মাহরামের পেছনে পেছনে তাওয়াফ ও সাঈ সম্পন্ন করবে।

মনে রাখা জরুরি

তবে হজ ও ওমরার যাবতীয় রোকন পালনে নারীরা নেকাব বা পর্দা করলেও মুখমণ্ডল খোলা রাখতে হবে। যদি কেউ মুখমণ্ডল আবৃত করতে চায় তবে মুখের সামনে যাতে খালি থাকে সে রকম নেকাব পরবে। যেমন হেলমেটের মতো নেকাব। যাতে নেকাবের কাপড় মুখের চামড়াকে স্পর্শ না করে।

ফেমাসনিউজ২৪.কম/আরআই/আরবি