logo

মঙ্গলবার, ১১ ডিসেম্বর ২০১৮ | ২৭ অগ্রহায়ণ, ১৪২৫

header-ad

স্বামীর কেলেঙ্কারি, মোদি দোকানিকে ছেড়ে আসেন হাসিন

স্পোর্টস ডেস্ক | আপডেট: ১৩ মার্চ ২০১৮

হাসিনের প্রাক্তন স্বামী বীরভূমের সাধারণ যুবক সাইফুদ্দিন হুসেন বর্তমানে সাঁইথিয়ায় মুদিখানার দোকান চালান। টানা আট বছর সংসার চালানোর পর সাইফুদ্দিন হুসেনের ঘর ছাড়েন হাসিন জাহান। দুই কন্যাকেও ছেড়ে আসেন তিনি।

২০০২ সালে প্রথমবার বিয়ে করেছিলেন সাইফুদ্দিন হুসেনকে। বর্তমানে সাঁইথিয়ায় মুদিখানার দোকান চালান তিনি। প্রথম সংসারের বড় মেয়ে এবার অবশ্য নিজের মা হাসিন নয়, সৎ বাবা শামিকেই নির্দোষ বলে দিল।

হাসিনের প্রথম স্বামীর বড় মেয়ে সম্প্রতি এক সংবাদমাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে বলেন, আমাদের মা ভীষণ কঠিন চরিত্রের। উনি প্রথম থেকেই উচ্চাকাঙ্ক্ষি। স্বাধীনচেতা মহিলা। বর্তমানে বাইরে থেকে যতই কাঠিন্য বজায় রাখুক না কেন, ভেতরে জ্বলেপুড়ে ছাড়খার হয়ে যাচ্ছেন।

বড় মেয়ের বয়স যখন পাঁচ বছর, তখনই সংসার ত্যাগ করেন হাসিন। খুশবু বলেন, শামি-পাপা আমাদের সবসময়ে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন অতীতে। উৎসবে বাড়িতে এসে উপহার দিতেন প্রত্যেকবার। ছুটিতে ঘুরতে নিয়ে যেতেন উনি। নিজের পরিবারের অংশ হিসেবেই মেনে নিয়েছিলেন আমাদের।

সঙ্গে তার সংযোজন, আমি এবং আমার বোনকে নিজের সন্তানের মতোই ভালোবাসেন উনি। ব্যক্তি হিসেবেও উনি ভীষণ ভালো। অদূর ভবিষ্যতে আর কী কী সমস্যা অপেক্ষা করছে, সেটা ভেবেই খারাপ লাগছে। অনেক কষ্ট করে উনি বর্তমান অবস্থায় এসে পৌঁছেছেন।

তিনি জানান, হাসিন ও শামি পরস্পরকে ভালোবাসে। কিন্তু কেন হঠাৎ এমনটা ঘটছে তা রহস্যজনক।

এদিকে ১৯ মার্চ গোপন জবানবন্দি দেবেন হাসিন জাহান। তার ভিত্তিতেই এগোবে মামলা। লালবাজারের আবেদন মঞ্জুর করল আদালত। দুই পরিবার সমঝোতা করলেও আইনগতভাবে তা সম্ভব নয়, বলছেন আইনজীবীরা।

এরই মধ্যে ব্যক্তিগত নিরাপত্তা চেয়ে লালবাজারের দ্বারস্থ হাসিন। লালবাজারের তরফে সোমবার আলিপুরের এসিজেএম আদালতে এ মর্মে আবেদন জানানো হয়। সেই আবেদনই মঞ্জুর করেছে আদালত।

গোয়েন্দাদের মতে, বিচারকের সামনেই যেহেতু রেকর্ড করা হবে হাসিনের বয়ান, তাই তদন্তের ক্ষেত্রে তা গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষ্য-প্রমাণ হিসেবে বিবেচিত হবে। এই জবানবন্দির ওপর ভিত্তি করেই হবে পরবর্তী সওয়াল জবাব।

অন্যদিকে রফাসূত্রের সন্ধানে সোমবারই শহরে আসেন শামির পরিবারের চার সদস্য। কথাও বলেন হাসিনের আইনজীবীর সঙ্গে। কিন্তু এই পরিস্থিতিতে কি কোনওভাবে দুই পরিবারের বোঝাপড়া করা সম্ভব? আইনজীবীরা বলছেন, যেসব ধারায় মামলা রুজু হয়েছে, সেখানে আর বোঝাপড়া সম্ভব নয়। দুই পরিবারের বোঝাপড়া বা রফা হলেও তদন্ত প্রক্রিয়া এগিয়ে নিয়ে যাবে পুলিশ। তারপর চার্জশিট বা চূড়ান্ত রিপোর্ট পেশ।

এদিন ফের লালবাজারে যান হাসিন জাহান। ব্যক্তিগত নিরাপত্তা চেয়ে আবেদন করেন তিনি। তদন্তকারীদের কাছে তার অভিযোগ, সোশাল মিডিয়ায় তার নামে বিভিন্ন বিরূপ মন্তব্য করা হচ্ছে।
ফেমাসনিউজ২৪/এফএম/এমএম