logo

বৃহস্পতিবার, ১৩ ডিসেম্বর ২০১৮ | ২৯ অগ্রহায়ণ, ১৪২৫

header-ad

ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো, জ্বলেও দলীয় হতাশা

ক্রীড়া প্রতিবেদক | আপডেট: ১৭ জুলাই ২০১৮

সন্দেহ নেই সর্বকালের সেরা খেলোয়াড়দের মধ্যে ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো অন্যতম। ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো ১৯৮৫ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি পর্তুগালে জন্মগ্রহণ করেন। ক্লাব পর্যায়ে পর্তুগিজ এই তারকা চারটি চ্যাম্পিয়ন্স লিগ শিরোপা, তিনটি প্রিমিয়ার লিগ শিরোপা, দুটি লা লিগা শিরোপা ছাড়াও আরও বিভিন্ন শিরোপা জিতেছেন। ২০০৯ সালে ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো ইংলিশ ক্লাব ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড থেকে স্প্যানিশ ক্লাব রিয়াল মাদ্রিদে আসেন। তখন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো সবচেয়ে ব্যয়বহুল খেলোয়াড় ছিলেন। ৯৪ মিলিয়ন পাউন্ডের বিনিময়ে স্প্যানিশ ক্লাব রিয়াল মাদ্রিদ রোনালদোকে কিনে নেয়। সর্বশেষ ১০০ মিলিয়ন ইউরোতে চার বছরের জন্য রিয়াল মাদ্রিদ ছেড়ে জুভেন্টাসে যোগ দেন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো। রোনালদোর সিদ্ধান্তে সম্মতি জানিয়েছে রিয়াল কর্তৃপক্ষও। এর মধ্য দিয়ে শেষ হলো রিয়াল মাদ্রিদের সঙ্গে রোনালদোর ৯ বছরের সম্পর্কের।

ক্যারিয়ারে ৪টি ইউরোপিয়ান গোল্ডেন বুট, ৫টি ফিফা ব্যালন ডি’অর ও ২৬টি শিরোপা জিতেছেন। পর্তুগালের জাতীয় দলের হয়েও ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো তার দ্যুতি ছড়িয়েছেন।

রোনালদো ফিফা ওয়ার্ল্ড কাপের ৪টি আসরে পর্তুগাল জাতীয় দলের হয়ে অংশগ্রহণ করেছেন (২০০৬, ২০১০, ২০১৪, ২০১৮)। রাশিয়া বিশ্বকাপে রোনালদো গ্রুপ পর্বের প্রথম ম্যাচেই দুর্দান্ত এক হ্যাটট্রিক করে বসেন ফেভারিট স্পেনের বিপক্ষে, অপরদিকে স্পেনও পর্তুগালের জালে ৩টি বল জড়ায়। যার ফলে ম্যাচের ফলাফল হয় ড্র। গ্রুপ পর্বের ২য় ম্যাচে পর্তুগাল মুখোমুখি হয় মরক্কোর। ম্যাচের মাত্র ৪ মিনিটেই কর্নার থেকে দুর্দান্ত এক হেডের মাধ্যমে একমাত্র জয়সূচক গোলটি করে আবারও নিজের শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণ করেন রোনালদো। গ্রুপ পর্বের তৃতীয় ম্যাচে পর্তুগালকে ড্র করতে হলো তুলনামূলক দুর্বল দল ইরানের সঙ্গে। এই ম্যাচে পেনাল্টি পেয়েও কাজে লাগাতে পারেননি রোনালদো, হয়তো বা তার এই গোলেই জয় পেতে পারত পর্তুগাল। গ্রুপ পর্বে চ্যাম্পিয়ন হয়েই রাউন্ড অব সিক্সটিনে খেলার সুযোগ করে নেয় রোনালদোর পর্তুগাল। ২য় রাউন্ডে পর্তুগালের প্রতিপক্ষ হয় উরুগুয়ে। শক্তিশালী উরুগুয়ের বিপক্ষে ১-২ গোলে হেরে নকআউট পর্ব থেকেই বিদায় নেয় পর্তুগাল। এ বিশ্বকাপে ৪টি গোল করেছেন তিনি। তবুও অধরা রয়ে গেল কাপ। অনেকেই বলছেন, একার পক্ষে যত বড় তারকাই হন কাপ জয় করা সম্ভব না।

ফাইনাল খেলার অনেক আগেই শেষ হয়েছে রোনালদো ও পর্তুগালের বিশ্বকাপ অভিযান। দল ফিরে গেলেও ব্যক্তিগত অর্জনের ঝুলি বেশ ভারী করেই ফিরলেন রোনালদো। সবশেষে বলতে হয়, রাশিয়া বিশ্বকাপে জ্বলেও হতাশা নিয়েই বাড়ি ফিরলেন তিনি।

ফেমাসনিউজ২৪/আরআর/আরইউ